শিরোনাম :
ইরানের সতর্ক সংকেত উপেক্ষা করায় হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ঢাকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বিদায়ী সাক্ষাৎ সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে যৌথ অভিযান শুরু মদন শিক্ষকের ধর্ষণে মাদরাসাছাত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা টাঙ্গাইলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় পলাতক প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বোরো মৌসুমে সরকারি দরে ধান সংগ্রহ উদ্বোধন ঢাকার পথে বাবর-খুররম শাহজাদ যশোর মৎস্যজাত অপ্রচলিত পণ্যের রফতানিতে সহযোগিতা করছে সরকার’ সংসদকে প্রাণবন্ত করতে কাজ করবে নারী এমপিরা : মির্জা ফখরুল
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

‘লকডাউন দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশে দুর্ভিক্ষের অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে’

‘লকডাউন দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশে দুর্ভিক্ষের অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:

বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের। ফাইল ছবি

করোনার কারণে লকডাউন ও ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশে দুর্ভিক্ষের অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের।

আজ মঙ্গলবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, ‘করোনাকালে জীবিকা হারিয়ে নতুন বেকার হওয়া ২ কোটি ৫০ লাখ এবং আগের কর্মহীন বেকারদের জন্য জীবন রক্ষা ও জীবিকার কোনো ব্যবস্থা প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী রেখেছেন বলে চোখে পড়েনি। করোনার কারণে লকডাউন ও ব্যবসা বাণিজ্যে মন্দা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশে দুর্ভিক্ষের অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। সেখানেও জীবন বিপন্ন হবে।’ তিনি বলেন, ‘আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে এসব দরিদ্র ও নব্য দরিদ্রদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এখানে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা অনেক বৃদ্ধি করতে হবে। অর্থের প্রয়োজন বাড়বে।’

জি এম কাদের বলেন, ‘ভ্যাকসিন, ওষুধ, ডাক্তার, নার্স, হাসপাতাল, টেস্টিং ল্যাবরেটরি, টেকনোলজিস্ট, পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ইত্যাদির যথেষ্ট পরিমাণ প্রয়োজন জীবন রক্ষার জন্য। নতুনভাবে এসব সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। সেজন্য অতিরিক্ত অর্থের দরকার হবে। করোনা মহামারির কারণে জীবিকা হারিয়েছে কোটি কোটি মানুষ। তাদের মধ্যে যারা হতদরিদ্র, তাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। জীবিকা হারিয়ে নতুন দরিদ্র সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ এবং প্রতিদিন এ সংখ্যা বাড়ছে।’

জি এম কাদের আরো বলেন, ‘জনগণ প্রত্যাশা করেছিল এ বাজেট হবে প্রাথমিকভাবে জীবন ও জীবিকা রক্ষার বাজেট। কিন্তু ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের চেয়ে প্রস্তাবিত বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা বা (৬.২৮ শতাংশ)। প্রশ্ন থেকে যায়, জীবন-জীবিকায় প্রাধান্যের জন্য এই বৃদ্ধি কি যথেষ্ট?’

বাজেটের কয়েকটি দিক তুলে ধরে কাদের বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের (২০২০-২১) বাজেট প্রায় গতানুগতিক। আগামী বছরের প্রস্তাবিত বাজেট (২০২১-২২) এর প্রায় সমান বলা যায়। সে বাজেট দিয়ে ওপরের সমস্যাগুলোকে যথাযথভাবে সমাধান সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে, এ বছরের বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে ১৪ শতাংশ। শুধু করোনা টিকার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি রুপি। কেবল স্বাস্থ্য খাতে ভারতে বাড়ানো হয়েছে (১৩৭ শতাংশ বা ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৪ কোটি রুপি)। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে এই পরিমাণ আরো বেশি। সেভাবে দেখলে সত্যিকারভাবে আমাদের ২০২১-২২ বাজেটে জীবন ও জীবিকার প্রাধান্য যথেষ্ট আছে বলা যায় না।’

বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, ‘প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরে ঘাটতি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা (জিডিপির হিসাবে ৬.১৭ শতাংশ); সম্ভাব্য রাজস্ব আহরণের ১ লাখ কোটির অধিক ঘাটতি এর সঙ্গে যুক্ত হবে। সেক্ষেত্রে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার অধিক বাজেটে অর্ধেকের বেশি (৫৫.১০ শতাংশ; বিগত বছরগুলোর প্রকৃত রাজস্ব আয়ের উপর ভিত্তি করে) ঘাটতি থাকবে, অনুমান করা যায়। ঘাটতিকে সব সময় নেতিবাচকভাবে বা খারাপভাবে দেখার কিছু নেই, যদি ঘাটতি পূরণের উৎস নির্ভরশীল হয়।’

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com